আজ- শনিবার, ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

মঠবাড়িয়ার পৌরসভাটি প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভাটি ১৯৯৩ সনে স্থানীয় মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত ৩-৬-২০১০ইং সনে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও পৌরবাসী উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লেই চলে। এখানে নেই কোন আয় ব্যায়ের সঠিক হিসাব জবাবদিহিতা মূলক কর্মকান্ড। বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখনও বিদ্যমান রয়েছে খানা খন্দরের বিভৎসতা ও ক্লেদাক্ত রাস্তার করুন চিত্র। জাইকা এডিবির অর্থায়নে কিছু শাখা রাস্তার কাজের দৃশ্যতা থাকলেও বার্ষিক হাট বাজার ডাক ও রাজস্ব আদায়ের প্রায় ৫ কোটি টাকা থেকে পৌরমেয়র রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌস পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের  বিধি মোতাবেক তাদের বেতন-ভাতা সর্বাগ্রে না দিয়ে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে কাগজে কলমে কাজের নামে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন। এছাড়াও তার চাচাতো ভাই তৌহিদুল বাশার কবিরের লাইসেন্সে নিয়ম পরিপন্থি ভাবে চাপা টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানাগেছে, কাজের নামে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা যা বর্তমানে ময়লার স্তুপে আটকে যাওয়ায় বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তদারকী বিহীন নামে মাত্র কাজগুলো রাতের আঁধারে করারও প্রমাণ রয়েছে। যে কাজ যথেষ্ট নিম্ন মানের হওয়ায় যার অস্তিত্ব সকালে পথচারীর জুতার নিচে পুনরায় সপ্তাহের ব্যবধানে বিলিন হয়েছে। রীতিমত পৌর নাগরিকরা ট্যাক্স প্রদান করলেও তারা সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় সকল ধরনের নাগরিক সুবিধা থেকে। অথচ মেয়রের বসত বাড়িটি ৫ নং সদর ইউনিয়নে থাকলেও সেখানে পৌরসভার অর্থে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পানির লাইন নব নির্মিত প্রশস্থ নয়নাভিরাম একাধিক রাস্তা নির্মাণ করেছেন।

১নং ওয়ার্ডের বাসিন্ধা শামসুল হক ফরাজী বলেন, দীর্ঘ ৬ বছর পূর্বে আমার বসত বাড়ির মাটির রাস্তা ও আমাদের পুরাতন বাড়ির পুকুরের পাইলিং সি, সি ঢালাই রাস্তা ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকায় টেন্ডার হলে সে কাজ ঠিকাদার খাইরুল ইসলাম কামাল নানু কিছু মাটির কাজ করিয়ে মাঝ পথে তা বন্ধ করে দেন। ওই কাজের লেবারদের ৩০ হাজার টাকা এখন পর্যন্ত বাকি রয়েছে। তাকে কাজটি বন্ধ থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ফান্ডে টাকা নেই। যে কারণে মেয়র সাহেব বিল দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। আমরা পৌরবাসী ট্যাক্স দেই সে অর্থে তার ইউনিয়নের বাড়ির রাস্তা পাকা করণ পানির লাইন সহ বহুতল মসজিদের কাজ চলমান রয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

হাচান মিয়া বলেন, রীতিমত আমরা পৌর ট্যাক্স আদায় করলেও দীর্ঘদিন রাস্তার সমস্যায় ভুগছি। নাগরিক সুবিধার বেলায় মেয়রের কাছে আমরা ১নং ওয়ার্ডবাসী কোন সভ্য মানুষের তালিকায় মনে হয় নেই। ভোট নেয়ার সময় তার মিষ্টি কথা আর মিথ্যা প্রতিশ্রুতির কাছে যেন দুনিয়ার সব কিছু হার মেনে যায়।

এ বিষয় পৌর মেয়র রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌসের সাথে মুঠো ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিভাগ: অন্যান্য,জাতীয়,টপ নিউজ,বরিশাল বিভাগ,ব্রেকিং নিউজ,মিডিয়া,রাজনীতি,সারাদেশ

আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published.