আজ- সোমবার, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

২৬ এপ্রিল, ২০১৯ বন্ধ হচ্ছে ২২ লাখ সিম

বিটিআরসির তথ্যে দেখা যায়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধনের নিয়ম মানা হয়নি অন্তত এক লাখ জাতীয় পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে।

অবশ্য এর আগে অপারেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকে বিটিআরসি তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে, অপারেটরগুলোকে এসব সিম এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হবে। পরে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অপারেটরগুলো প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিমের সংখ্যা ১৫টিতে নামিয়ে আনবে।

এরপর ১০ মে থেকে অপারেটররা বিটিআরসি’র সঙ্গে মিলে নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে  ১৫টির ওপর যে কয়কটি সিম আসবে তা কমিয়ে আনবে।

২০১৭ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে সিম নিবন্ধন এবং বায়োমেট্টিক ভেরিফিকেশন করা হলে তখন এক পরিচয়পত্রের বিরপীতে কত সিম থাকবে সেটির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

নিবন্ধন এবং বায়োমেট্টিক ভেরিফিকেশন শেষে সেই সংখ্যা ১৫টি বেধে দেওয়া হয়। পরে দেখা যায়, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির ওপরে নিবন্ধন করা সিমের সংখ্যা যোগ করলে তা ৩০ লাখ পেরিয়ে যায়।

এ পর্যায়ে গ্রাহকদেরকে বাছাই করে সিম সংখ্যা নামিয়ে আনার কথা বলা হলেও মাত্র তিন লাখের কিছু বেশি সিম বন্ধ করে অপারেটরগুলো।

এখন বিটিআরসি যেহেতু এর মধ্যে ‘সেন্ট্রাল বায়োমেট্টিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’ তৈরি করেছে এবং সেখানে সবগুলো অপারেটর যুক্ত আছে তাই  এখন অতিরিক্ত সিম কমিয়ে ফেলার পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থাটি।

অবশ্য কার নামে কত সিম নিবন্ধন করা রয়েছে তা গ্রাহক চাইলেও *১৬০০১# ডায়াল করে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট পুশ করে জেনে নিতে পাররেন।

বিটিআরসির দেওয়া নির্দেশনায় এই তালিকায় গ্রামীণফোনের রয়েছে চার লাখ ৬৫ হাজার সিম, রবি ও এয়ারটেলের রয়েছে সাত লাখ ৮০ হাজার, বাংলালিংকের চার লাখ ৯৫ হাজার এবং টেলিটকের চার লাখ ৯০ হাজার।

বিভাগ: মিডিয়া