গত ০৭/০৩/২০২৫ ইং তারিখে কালবেলা অনলাইন ও আমার পিরোজপুর পত্রিকায় ‘২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, লাপাত্তা প্রধান শিক্ষক ও নেছারাবাদে দুর্নীতি, নিয়োগ-বাণিজ্য ও প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমির হোসেন’ শিরোনামে আমাকে জড়িয়ে এবং জিরবাড়ী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমির হোসেন। তিনি এক প্রতিবাদ লিপিতে বলেন- আমাকে জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে সেটি মূলত উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি মহল এই সংবাদটি প্রকাশ করিয়াছেন। উল্লিখিত সংবাদের আনিত অভিযোগের বিষয় সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার বক্তব্য হলো- অত্র প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠা অদ্য পর্যন্ত পরিচালনা করিয়া আসিয়াছি। প্রতিষ্ঠানের জমিক্রয়, জমির দলিল, জমি নামজারী, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন আনা নেয়া খরচ, অফিসিয়াল যত খরচ সব কিছু আমাদের নিজস্ব অর্থায়নেই করা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের আর্থিক সংকটের কারনে বিদ্যালয় কিছুদিনের জন্য বন্ধ আছে। আমি এলাকা থেকে লাপাত্তা হয়েছি যা সম্পুর্ন মিথ্যা অপবাদ রটানো হয়েছে। অত্র প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির জন্য বর্তমানে ঢাকায় আন্দোলন চলতেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমি সেখানে অবস্থান করছি এবং বিভিন্ন অফিসে যোগাযোগ রাখছি; বরাদ্ধ বা প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে জাতীয়করণ করা যায়। উল্লিখিত ২জন শিক্ষক যে টাকার বিষয়টি বলছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা তারা দুজনে কোন প্রকার টাকা আমাকে দেয় নাই। প্রতিষ্ঠানে অদ্য পর্যন্ত কোন সরকারি বরাদ্ধ পাই নাই। তবে ফিরোজ কিবরিয়া ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে সে বাবদ আমার কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা নিয়েছে যার প্রমান আমার কাছে আছে এবং প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীও জানে। সেই টাকা আত্মসাৎ করার জন্য তারা সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মোঃ আমির হোসেন
প্রধান শিক্ষক
জিরবাড়ী প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়
নেছারাবাদ, পিরোজপুর।



