আজ- শনিবার, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ইন্দুরকানীতে লবনের দাম বৃদ্ধি পাবে এমন গুজবে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে লবনের দাম বৃদ্ধি পাবে এমন গুজবে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাজারে গুজবে কান না দেয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে প্রতি কেজি লবন ৩৫ টাকার বদলে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া শুরু করে এ উপজেলায়। এমন খবরে জরুরী ভিত্তিতে উপজেলার সকল বাজারে গিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের গুজবে কান না দিতে আহবান জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ। তিনি সবাইকে লবন মজুদ না করার জন্য বলেন। এছাড়া অতিরিক্ত দরে যেন লবন ক্রয় বিক্রয় করা না হয় সে জন্যও সতর্ক করেন সবাইকে। এমনকি এক প্যাকেটের বেশি যেন বিক্রি করা না হয় সে জন্যও বলেন বিক্রেতাদের। আর সবাইকে সতর্ক করতে গুজবে কান না দিতে জরুরী ভিত্তিতে উপজেলার কয়েকটি স্থানে মাইকিং করায় উপজেলা প্রশাসন।
লবনের দাম বৃদ্ধির আশংকায় দুপুর থেকেই মুদির দোকানগুলোতে লবন কিনতে ভীড় জমায় ক্রেতা সাধারন। এর মধ্যে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী হঠাৎ করে লবনের দাম বাড়িয়ে ফেলেন। প্রতি কেজি লবন ৩৫ বদলে ৫০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি শুরু করেন। আবার অনেক দোকানী বিক্রি বন্ধ করে দিয়ে লবন মজুদ করে রাখেন। কয়েকটি স্থানে দোকানীর সাথে ক্রেতাদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।
ইন্দুরকানী বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, দুপুরের পর থেকে উপজেলার সর্বত্র লবনের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ সুযোগে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী লবনের দাম বৃদ্ধি করে এবং মজুদ করে। অনেক ক্রেতাদের ৫ থেকে ১০ কেজি লবন কিনে নিতে দেখা যায়। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের জরুরী পদক্ষেপে সবার মধ্যে অনেকটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মুহাম্মদ আল মুজাহিদ জানান, লবনের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা সম্পূর্ণ গুজব। আমাদের উপজেলায় লবনের কোন সংকট নেই। সংকট হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। কারন পর্যাপ্ত লবন মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা অতিরিক্ত দরে লবন বিক্রি করবেন না বলে আমাকে আশ্বস্ত করেছেন। তবে ক্রেতা সাধারনকে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত লবন ক্রয়ে হুমড়ি খেয়ে না পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

বিভাগ: অন্যান্য,জাতীয়,টপ নিউজ,বরিশাল বিভাগ,ব্রেকিং নিউজ,মিডিয়া,সারাদেশ