আজ- বুধবার, ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

spot_img

টয়োটার গাড়ি রাস্তায় চলবে, আকাশেও উড়বে

টয়োটার গাড়ি

উড়ুক্কু গাড়ির দিন খুব কাছেই। আর দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই আকাশে উড়তে দেখা যাবে গাড়ি। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি ও গাড়ি নির্মাতা উড়ুক্কু গাড়ির পেছনে বিনিয়োগ শুরু করেছে। জাপানের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা যেমন এক ধাপ এগিয়ে। উড়ুক্কু গাড়ি নির্মাণ করে এমন একটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের ওপর বিনিয়োগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২০ সাল নাগাদ ছোট গাড়ির আকারের উড়ুক্কু যান বাজারে আনার লক্ষ্য টয়োটার।

কার্টিভেটর রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট নামের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ ৮৬ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে টয়োটা। ওই প্রতিষ্ঠানটি ‘স্কাই ড্রাইভ’ নামের একটি উড়ুক্কু গাড়ি তৈরিতে কাজ করছে। সম্প্রতি ব্যাটারি ও অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোর একটি উড়ুক্কু গাড়ির পরীক্ষা চালিয়েছেন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশলীরা। পরীক্ষা চলার সময় ওই গাড়িটি প্রচুর ধুলা উড়িয়েছে এবং শব্দ করেছে। এ ছাড়া কয়েক সেকেন্ডে কাঁপতে কাঁপতে মানুষ সমান উচ্চতায় উঠে আবার পড়ে গেছে।
কার্টিভেটরের উড়ুক্কু গাড়ি প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়া সুবাসা নাকামুরা বলেন, ‘চলচ্চিত্রের কোনো দৃশ্যের মতোই রাস্তায় চলার পাশাপাশি আকাশে ওড়ার সুবিধাযুক্ত গাড়ি তৈরির লক্ষ্য কার্টিভেটরের। আমি ব্যক্তিগতভাবে গাড়ি ও উড়োজাহাজ পছন্দ করি। অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল ব্যক্তিগত গাড়িতে উড়ে বিভিন্ন স্থানে যাব।’
টয়োটার কাছ থেকে পাওয়া বিনিয়োগ নিয়ে আরও উন্নত নকশার উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে কার্টিভেটরের। ২০১৯ সাল নাগাদ এ গাড়িতে মানুষ চড়তে পারবে।
উল্লেখ্য, উড়ুক্কু গাড়ির প্রোটোটাইপ তৈরিতে কাজ করছে ইউরোপীয় বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। ২০১৬ সালে এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ ‘আরবান এয়ার মোবিলিটি’ নামে আলাদা একটি বিভাগ চালু করে। এই বিভাগ থেকে হেলিকপ্টারের মতো যাত্রীবাহী উড়ুক্কু গাড়ি নির্মাণের ধারণা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ গাড়ি শহরের মধ্যে একসঙ্গে একাধিক যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম হবে। উড়ুক্কু গাড়ি ভাড়া নিতে একটি অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। অনেকটাই গাড়ি শেয়ার করা প্ল্যাটফর্মের মতো।
এয়ারবাস ছাড়াও যোগাযোগসেবার ক্ষেত্রে নতুন লক্ষ্য ঠিক করেছে ট্যাক্সি পরিবহন সেবাদাতা হিসেবে পরিচিত উবার। উড়ুক্কু ট্যাক্সিসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপ)-নির্ভর এ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটি। ২০২০ সাল নাগাদ টেক্সাস ও দুবাইয়ে এ সেবা চালু করার লক্ষ্য উবারের।
কিটি হক নামের একটি মার্কিন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান উড়ুক্কু মোটরসাইকেল তৈরিতে কাজ করছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ফ্লায়ার। কিটি হককে সহায়তা করছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল। তথ্যসূত্র: এবিসি নিউজ

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles